২০২৬-এর মহাযুদ্ধে শামিল হতে চলেছেন আপনি? কিন্তু হাতে ভোটার কার্ড (EPIC) নেই বলে দুশ্চিন্তায়? একদম ভাববেন না! ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকলেই আপনি ভোট দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ভোটার কার্ডের বদলে বিকল্প কিছু সরকারি নথি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
ভোটার কার্ড না থাকলে কোন ১২টি নথি চলবে? ভোটার কার্ড হারানো বা হাতে না পাওয়ার ক্ষেত্রে নিচের যেকোনো একটি আসল (Original) নথি দেখিয়ে আপনি ভোট দিতে পারেন: ১. আধার কার্ড ২. প্যান কার্ড ৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স ৪. ভারতীয় পাসপোর্ট ৫. ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবিসহ পাসবই ৬. মনরেগা (MNREGA) জব কার্ড ৭. শ্রম মন্ত্রকের ইস্যু করা হেলথ ইন্স্যুরেন্স স্মার্ট কার্ড ৮. ছবিসহ পেনশনের নথি ৯. কেন্দ্রীয়/রাজ্য সরকার বা পিএসইউ-এর সার্ভিস আইডি কার্ড ১০. সাংসদ/বিধায়ক/এমএলসি-দের ইস্যু করা সরকারি পরিচয়পত্র ১১. আরজিআই (RGI) দ্বারা ইস্যু করা স্মার্ট কার্ড ১২. ইউনিক ডিসঅ্যাবিলিটি আইডি (UDID) কার্ড
মনে রাখবেন: ডিজিটাল কপি বা জেরক্স কপি কিন্তু বুথে গ্রাহ্য হবে না। সঙ্গে রাখুন অরিজিনাল কার্ড।
বুথে কী সঙ্গে রাখা যাবে আর কী যাবে না?
শান্তিপূর্ণ এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে ভোট দিতে এই নিয়মগুলো মাথায় রাখুন:
যা রাখা যাবে না (নিষিদ্ধ):
মোবাইল ফোন: বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি সুইচ অফ থাকলেও তা সঙ্গে রাখা যাবে না।
অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট: স্মার্ট ওয়াচ, ক্যালকুলেটর বা কোনো রেকর্ডিং ডিভাইস নিয়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না।
ছবি তোলা: ইভিএম (EVM) বা ভোট দেওয়ার কোনো ছবি বা ভিডিও তোলা দণ্ডনীয় অপরাধ। এমনটা করলে আপনার ভোট বাতিলসহ জেল-জরিমানা হতে পারে।
যা রাখা যাবে (অনুমতি আছে):
ভোটার স্লিপ: পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধার জন্য বিএলও-র দেওয়া ভোটার স্লিপ সঙ্গে রাখুন।
কলম: ভোটার তালিকায় সই করার জন্য নিজস্ব কলম রাখতে পারেন, তবে বুথেও কলম দেওয়া থাকে।
চশমা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ: প্রবীণ বা অসুস্থ ভোটাররা প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় টিপস: ভোটকেন্দ্রে লম্বা লাইন এড়াতে যতটা সম্ভব হালকা হয়ে যান। যদি সঙ্গে মোবাইল নিতেই হয়, তবে বাইরে কোনো পরিচিতর কাছে বা নিরাপদ স্থানে রেখে আসার ব্যবস্থা আগেভাগেই করে রাখুন।





