ভারত মহাসাগরে চিনা দাদাগিরি শেষ! তৃতীয় পরমাণু মিসাইলে সাজছে নৌসেনা

ভারত মহাসাগরে ড্রাগনের আস্ফালন রুখতে এবার ‘গেম চেঞ্জার’ হাতিয়ার নিয়ে আসছে ভারতীয় নৌসেনা। আগামী এপ্রিল-মে মাসেই জলে নামতে চলেছে ভারতের তৃতীয় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (SSBN) ‘আরিধমান’ (S4)। বিশাখাপত্তনমে তৈরি এই ডুবোজাহাজটি বর্তমানে সমুদ্র পরীক্ষার (Sea Trials) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

কেন এই সাবমেরিন ভারতের ট্রাম্প কার্ড? বিশেষজ্ঞদের মতে, আরিধমান তার পূর্বসূরি আরিহন্ত ও অরিঘাতের চেয়েও শক্তিশালী এবং বড়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি। এই সাবমেরিনে থাকছে:

  • কে-৪ (K-4) মিসাইল: যার পাল্লা ৩,৫০০ কিলোমিটারের বেশি। অর্থাৎ ভারতের জলসীমা থেকে এশিয়ার যে কোনো বড় লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত হামলা চালানো সম্ভব।

  • কে-১৫ (K-15) মিসাইল: ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার ২৪টি মিসাইল বহনে সক্ষম এই ডুবোজাহাজ।

কেন পারমাণবিক সাবমেরিন অপরাজেয়? যুদ্ধের আধুনিক নীতি অনুযায়ী, স্থলভাগে পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে তা নষ্ট করা সম্ভব হলেও সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা সাবমেরিনকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে আরিধমান ভারতের ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক’ (পাল্টা হামলা) ক্ষমতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। চিনের ক্রমবর্ধমান নৌ-শক্তির মোকাবিলায় এই সাবমেরিন ভারত মহাসাগরের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে উঠবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy