২০০৮ থেকে ২০২৬— দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) সমর্থকদের কাছে বিরাট কোহলি কেবল একজন খেলোয়াড় নন, একটি আবেগ। আইপিএল ইতিহাসের সবথেকে বড় ট্র্যাজেডি থেকে রাজকীয় উত্থান— সবকিছুরই সাক্ষী থেকেছেন কোহলি। এবার বিরাটের সেই লড়াকু জীবন এবং গত বছরের ঐতিহাসিক জয়ের পর তাঁর চোখের জল নিয়ে মুখ খুললেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের তারকা ক্রুনাল পাণ্ড্য।
বিরাটের যন্ত্রণার দিনগুলো
ক্রুনাল পাণ্ড্য সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আরসিবি এবং বিরাটের দীর্ঘ লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, “বিরাট এই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য যা করেছেন তা অবিশ্বাস্য। মাত্র ৪৯ রানে অল-আউট হওয়া থেকে শুরু করে তিনবার ফাইনালের দোরগোড়ায় পৌঁছেও ট্রফি না পাওয়া— বিরাট সব দেখেছেন। তাঁর জেদ তাঁকে আজও দাপিয়ে বেড়াতে সাহায্য করে।”
“শিশুর মতো কাঁদতে দেখেছি কোহলিকে”
গত বছর যখন অবশেষে আইপিএলের খরা কাটে আরসিবি-র, তখন বাইশ গজে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখেছিল ক্রিকেট বিশ্ব। সেই মুহূর্তের কথা মনে করে ক্রুনাল বলেন,
“গত বছর ফাইনালে জেতার পর আমি যখন বিরাটকে দেখলাম, আমি নিজেও ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলাম। একজন বিশ্বসেরা ব্যাটার, যে এত আগ্রাসী, সে সেদিন মাঠের মাঝখানে শিশুর মতো কাঁদছিল। সেই কান্না ছিল এক দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান এবং বুক চাপা যন্ত্রণার মুক্তি। ওই দৃশ্যটি আজও আমার চোখে ভাসে।”
ইতিহাসের সাক্ষী বিরাট
আইপিএলের প্রথম মরসুম থেকে আজ অবধি একই দলের হয়ে খেলে রেকর্ড গড়েছেন কোহলি। ২০০৮ সালের সেই কিশোর বিরাট আজ ক্রিকেটের কিংবদন্তি। ক্রুনাল মনে করেন, বিরাটের এই জয় কেবল আরসিবি-র জয় নয়, এটি ক্রিকেটের প্রতি তাঁর নিবেদনের চরম প্রাপ্তি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রুনাল পাণ্ড্যর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। আরসিবি ভক্তরা বলছেন, বিরাটের সেই চোখের জলই প্রমাণ করে ট্রফিটি তাঁর কাছে ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।





