২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে এল এক বিশেষ মুহূর্ত। মঙ্গলবার রাজভবনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রোটেম স্পিকার বা অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে শপথ নিলেন বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়। রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথের মাহেন্দ্রক্ষণ: রাজভবনের থ্রোন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা। উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করার গুরুদায়িত্ব এবার তাপস রায়ের কাঁধেই। বিধানসভার স্থায়ী অধ্যক্ষ বা স্পিকার নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তাপস রায়ের ভূমিকা: শপথ গ্রহণের পর তাপস রায় এবার নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ পাঠ করাবেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ইতিহাসে এবার এক বড়সড় বদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই রাজনীতিক যেভাবে নিরপেক্ষতার সঙ্গে হাউস পরিচালনা করবেন, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
কেন এই নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ? ২০২৬-এর নির্বাচনে জয়ের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাধারণত বিধানসভার সবচেয়ে অভিজ্ঞ বা প্রবীণ সদস্যদের মধ্য থেকেই একজনকে রাজ্যপাল প্রোটেম স্পিকার হিসেবে মনোনীত করেন। তাপস রায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ার এবং সংসদীয় জ্ঞান বিচার করেই তাঁকে এই পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ: শপথ গ্রহণ শেষ হলেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হবে। সেখানেই সকল নতুন বিধায়ক শপথ নেবেন এবং পূর্ণসময়ের জন্য স্পিকার নির্বাচন করা হবে। রাজভবনের এই অনুষ্ঠান ঘিরে মঙ্গলবার দুপুর থেকেই ছিল সাজ সাজ রব।
রাজ্যের নতুন বিধানসভা এবং নতুন সরকারের পথচলা এবার ঠিক কোন দিশায় যায়, নজর থাকবে সেদিকেই।





