সন্ত্রাসবাদের ইস্যুতে এবার সরাসরি চিন ও পাকিস্তানকে একযোগে বিদ্ধ করল ভারত। সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো, জঙ্গিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করলে বা তাঁদের পরোক্ষ মদত দিলে আন্তর্জাতিক মহলে কোনো দেশেরই আর সম্মান অবশিষ্ট থাকে না। বিশেষ করে পাকিস্তানের জঙ্গি কার্যকলাপকে চিন যেভাবে বারবার আড়াল করার চেষ্টা করছে, তার প্রেক্ষিতেই বেজিংকে এই কড়া বার্তা দিল দিল্লি।
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নাম না করে বেজিংকে নিশানা করে ভারত জানায়, সন্ত্রাসবাদ কোনো নির্দিষ্ট সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। তাই রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে কোনো দেশ যদি কুখ্যাত জঙ্গিদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞার খড়গ সরিয়ে নিতে চায়, তবে তা বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি। ভারতের প্রতিনিধি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতা এবং তাদের রক্ষাকর্তাদের চরিত্র একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবা বা জইশ-ই-মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনের নেতাদের ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ হিসেবে ঘোষণা করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে চিন। প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে বারবার তারা পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে এবার সেই ‘দ্বিচারিতা’র বিরুদ্ধেই সুর চড়ানো হয়েছে।
দিল্লির বার্তা খুব স্পষ্ট— যারা সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়, তারা কেবল নৈতিকভাবে পরাজিতই হয় না, বরং সভ্য সমাজের বিশ্বাসযোগ্যতাও হারায়। বেজিং এবং ইসলামাবাদের এই ‘অশুভ আঁতাত’ যে ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ, তা আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের একবার জোরালোভাবে তুলে ধরল সাউথ ব্লক। এখন দেখার, দিল্লির এই সরাসরি হুঁশিয়ারির পর ড্রাগন তার নীতিতে কোনো বদল আনে কি না।





