দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যশবন্ত ভর্মার বর্ণময় ও বিতর্কিত কেরিয়ারে পড়ল যবনিকা। বাড়িতে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া চলাকালীনই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন তিনি। বর্তমানে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে কর্মরত থাকলেও, তাঁর এই ইস্তফার ফলে ইমপিচমেন্টের আইনি জটিলতা থেকে তিনি সাময়িক মুক্তি পেলেন বলে মনে করছে লোকসভা সেক্রেটারিয়েট।
বিতর্কের সূত্রপাত ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ। দিল্লির লুটিয়েন্সে বিচারপতির সরকারি বাসভবনে হঠাৎ আগুন লাগলে তা নেভাতে যান দমকল কর্মীরা। তখনই স্টোররুম থেকে উদ্ধার হয় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতার টাকার স্তূপ। যদিও সেই সময় বিচারপতি ভোপালে ছিলেন এবং ওই বিপুল অর্থ তাঁর নয় বলে দাবি করেছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তাঁকে দিল্লি থেকে সরিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে পাঠানো হয়। সেখানেও বিচার সংক্রান্ত কাজ থেকে তাঁকে বিরত রাখা হয়েছিল। গত অগস্ট মাসে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত প্যানেল তৈরি করার পর সেই প্যানেলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভর্মা। তবে হাজারো টালবাহানার পর অবশেষে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর পথই বেছে নিলেন এই প্রবীণ বিচারপতি।





