উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় এক বিশেষভাবে সক্ষম যুবতীকে পাশবিকভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বছর ২২-এর ওই তরুণীকে একটি নির্জন লাউ বাগানে নিয়ে গিয়ে এই ঘৃণ্য কাজ করে বছর পঞ্চাশের এক ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বেপাত্তা। পুলিশ তার খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।
ঘটনাটি ঘটে রবিবার রাতে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা যুবতী তখন বাড়ির বারান্দায় একা বসে ছিলেন। বাড়ির অন্য সদস্যরা ভেতরে থাকায় সেই সুযোগ নেয় প্রতিবেশী ওই প্রৌঢ়। অভিযোগ, খাবারের লোভ দেখিয়ে প্রথমে তাঁকে বাইরে ডেকে আনা হয়, তারপর পাশের একটি লাউ বাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। দীর্ঘক্ষণ যুবতীকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বাগানের ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। সেখানে গিয়ে তাঁরা ওই যুবতীকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
জ্ঞান ফেরার পর নির্যাতিতা আকার-ইঙ্গিতে ও ভাষায় সমস্ত ঘটনার বিবরণ দেন। তিনি জানান, মুখ খুললে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিল অভিযুক্ত। রাতেই বাদুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। বসিরহাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতার মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে ধরার জন্য সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে গোটা এলাকা।