বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন ঘিরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই এই ঘটনার সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী তীব্র আক্রমণ করে তৃণমূলকে ‘কালীঘাটের টালির চালার দুর্নীতির পাঠশালা’ বলে কটাক্ষ করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত ৯ মে, যখন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভার অধ্যক্ষকে একটি চিঠি দিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেন। ১৮ মে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রেজোলিউশনের কপি চাইলে, তৃণমূল ৭০ জন বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত নথি জমা দেয়। কিন্তু জালিয়াতির পর্দা ফাঁস হয় যখন বিধায়ক ঋতব্রত ও সন্দীপন অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন যে, ৬ মে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের কোনো প্রস্তাবই গৃহীত হয়নি। জমা দেওয়া ওই নথিতে ১৪ জন বিধায়কের স্বাক্ষর ইংরেজি ‘ব্লক লেটার’-এ ছিল, যা জালিয়াতির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। এই ঘটনার জেরে শাসকদলের অন্দরেই অস্বস্তি তুঙ্গে।





