ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে বোমাবাজি ও এলাকা দখলের লড়াইয়ে পুলিশের তৎপরতা তুঙ্গে। মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা থাকলেও, মঙ্গলবার তার দুই ঘনিষ্ঠ শাগরেদ— বাবু সোনা ওরফে রাহুল দাস এবং শুভঙ্কর রায়কে গ্রেফতার করেছে লালবাজারের বিশেষ দল। এই নিয়ে রবিবারের ওই নারকীয় ঘটনায় মোট ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬।
ফেসবুক লাইভে পাপ্পুর চ্যালেঞ্জ: আশ্চর্যের বিষয় হলো, পুলিশ যখন হন্যে হয়ে পাপ্পুকে খুঁজছে, তখন খোদ অভিযুক্ত যুবক দুপুরবেলায় ফেসবুক লাইভ করে নিজের সপক্ষে সাফাই দেয়। লাইভে পাপ্পু দাবি করে, “ঘটনার দিন আমি বাড়িতেই ছিলাম, তার সিসিটিভি ফুটেজ আমার কাছে আছে।” একই সঙ্গে নিজের পারিবারিক প্রতিপত্তি জাহির করে সে বলে, “আমার বাবার তিনটে সোনার দোকান আছে, আমরা বিড়ি কুড়িয়ে খাই না।” এই লাইভ ভিডিওটি এখন গোয়েন্দাদের আতশাঁচের তলায়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক যোগ: গত রবিবার রাতে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি ও গুলিবৃষ্টিতে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কাঁকুলিয়া রোড। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাসকদলের প্রভাবশালী নেতাদের মদতেই পাপ্পু সোনা এই ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে। ঘটনার দিন পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় স্থানীয় মহিলাদের বিক্ষোভের মুখেও পড়েন।
পুলিশের দাবি, বাবু সোনা ও শুভঙ্কর ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল। তাদের গোপন ডেরা থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল পান্ডা সোনা পাপ্পুর লোকেশন জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।





