ফের কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই তিনি হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, কুণাল ঘোষ এবং বিশিষ্ট আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি ইলেকশন পিটিশন (Election Petition) দাখিল করার প্রক্রিয়াতেই তিনি আদালতে এসেছেন। মামলার নথিপত্রে সই-সাবুদ করতেই আজ তাঁর এই সফর। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ার পর সেই ফলাফলকেও চ্যালেঞ্জ করে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। এবার ভবানীপুরের নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত আইনি নথিপত্র চূড়ান্ত করতেই তাঁর এই পদক্ষেপ।
আইনি তৎপরতায় মমতা
২০২১ সালের ভোটের পর থেকেই বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে সরাসরি সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। গত ১৪ মে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলায় আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করতে তিনি হাইকোর্টে এসেছিলেন। তবে সেবার এজলাস থেকে বেরোনোর সময় আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে, এমনকি তাঁকে লক্ষ্য করে স্লোগানও দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রায় এক মাস বাদে, ১৬ জুন পুনরায় হাইকোর্টে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
রাজনৈতিক জল্পনা
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আইনি তৎপরতা রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে যেমন নন্দীগ্রামের হারের মামলা আদালতে ঝুলে আছে, অন্যদিকে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে এই নতুন আইনি পদক্ষেপ তৃণমূল সুপ্রিমোর রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।





