উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ বিধানসভার ১৫ নম্বর বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের একটি ছোট ভুলের জেরে তৈরি হলো বড়সড় আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতা। হাটমনি শঙ্করপুর এফপি স্কুলের এই বুথে দিনভর ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও, কাজ শেষে ইভিএম ‘ক্লোজ’ করার বদলে ভুলবশত সেটি ‘সুইচ অফ’ করে দেন প্রিসাইডিং অফিসার সুভাষচন্দ্র মাহাতো। এরপর মেশিনটি পুনরায় চালু করা হলে তাতে ‘ডেটা এরর’ দেখাতে শুরু করে।
এই যান্ত্রিক গোলযোগের খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার রাতে বুথে পৌঁছে যান রায়গঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। কৃষ্ণ কল্যাণী জানান, জেলাশাসকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং ইঞ্জিনিয়ার ডাকা হয়েছে। যদি ইভিএম ঠিক না হয়, তবে ভিভিপ্যাট স্লিট গুনে ভোট গণনার দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং এর লিখিত প্রতিশ্রুতি চেয়েছেন।
তবে রাতের অন্ধকারে প্রার্থীর বুথে প্রবেশ করা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দানা বাঁধে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। কৃষ্ণ কল্যাণী বুথ থেকে বেরোনোর সময় গ্রামবাসীরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের প্রশ্ন, ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর কেন একজন প্রার্থী বুথ চত্বরে প্রবেশ করবেন? আপাতত ওই ইভিএমের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টের ওপর।





