প্রসেনজিৎ-ধর্মেন্দ্রর সম্মান প্রাপ্তির পরেই সিকিমে দ্রৌপদী মুর্মু, কী কর্মসূচি রাষ্ট্রপতির?

মঙ্গলবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে তিনি পাড়ি দিলেন সিকিমের উদ্দেশ্যে। রাষ্ট্রপতির দুই দিনের এই সফর ঘিরে প্রশাসনিক মহলে তুঙ্গে উঠেছে ব্যস্ততা। দিল্লি থেকে বাগডোগরা এবং তারপর হেলিকপ্টারে সিকিম— রাষ্ট্রপতির এই যাত্রাপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিকিমে পৌঁছে রাষ্ট্রপতি সড়কপথে ঐতিহাসিক ইনচে গুম্বা মোনাস্ট্রিতে (প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ) যাবেন। বৌদ্ধ ধর্মের এই পীঠস্থানে তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এরপর রাষ্ট্রপতির গন্তব্য নামগোয়াল ইনস্টিটিউট অফ তিব্বতলজি। তিব্বতি সংস্কৃতি ও শিক্ষার প্রসারে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম, যা আজ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। সফরের প্রথম দিনে সিকিমের রাজ্যপালের আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন।

বুধবার রাষ্ট্রপতির সফরসূচি আরও ব্যস্ততাপূর্ণ। সকালে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। এরপর তাঁর মূল আকর্ষণ ‘প্রেসিডেন্টস কালার টু সিকিম পুলিশ’। সিকিম পুলিশকে এই বিরল সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচি শেষে তিনি পুনরায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

উল্লেখ্য, এই সফরের ঠিক আগেই ২৫ মে রাষ্ট্রপতি ভবনে ২০২৬ সালের পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে বাংলার সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে পদ্মশ্রী তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি, হিন্দি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। সেই ঐতিহাসিক আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই সিকিমের মাটিতে পদার্পণ করলেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর এই সফর যেমন আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে পূর্ণ, তেমনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এটি অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। গোটা সিকিম এখন সেজে উঠেছে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy