বাংলাদেশে পটপরিবর্তনের পর অবশেষে দিল্লির সঙ্গে বরফ গলতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য পেতে চলেছেন তারেক রহমান। বিগত ১৭ মাস ধরে চলা ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বাংলাদেশে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় ভিসা পরিষেবা চালুর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের পর থেকেই তারেক রহমান দুর্নীতিমুক্ত এবং সিন্ডিকেটহীন ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার ডাক দিয়েছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় কনস্যুলারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সেরেছে নতুন সরকার। সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় কনস্যুলার অনিরুদ্ধ দাস নিশ্চিত করেছেন যে, পর্যটক ভিসা-সহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত চালুর ব্যাপারে সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর উদ্ভূত অস্থিরতায় ভারত তাদের ভিসা সেন্টারগুলি বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে কেবলমাত্র মেডিকেল এবং বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ভিসা মিলছিল না, যা এবার স্বাভাবিক হতে চলেছে।
তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য। সামনেই রমজান মাস, তার আগে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ভিসা পরিষেবা চালু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। দুই দেশের এই কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন মোড় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।