ডিএ নিয়ে এক ধাপ এগোল মমতা সরকার! বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীদের তথ্য তলব করল উচ্চশিক্ষা দপ্তর

ভোটের আবহে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর। শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) মেটাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল মমতা সরকার। এবার আর শুধু আশ্বাস নয়, সরাসরি হিসেব নিকেশ শুরু করার জন্য সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চাইল উচ্চশিক্ষা দপ্তর।

হিসেব হবে ২০১৬ থেকে ২০১৯-এর! নবান্ন সূত্রে খবর, সোমবার উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তথ্য চাওয়া হয়েছে। মূলত ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ এবং ডিআর (DR)-এর হিসেব চূড়ান্ত করা হবে। এই সময়ের মধ্যে কোন কর্মী প্রতি মাসে কত টাকা পেতেন, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তৈরি হচ্ছে বিশেষ ডিজিটাল ডেটাবেস মহামারীর পরে বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে নবান্ন বেশ কিছু আধুনিক পদক্ষেপ নিয়েছে:

  • ডাটাবেস তৈরি: সংগৃহীত তথ্য নিয়ে একটি সুসংগঠিত ডেটাবেস তৈরি করা হবে।

  • ভেরিফিকেশন: প্রত্যেক কর্মচারী ও পেনশনভোগীর ‘সার্ভিস বুক’ বা চাকরির বই এবং পরিচিতি তালিকার ওপর ভিত্তি করে এই তথ্য যাচাই (Certify) করা হবে।

  • পেনশনভোগীদের সুবিধা: কর্মরতদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতার সুবিধা পাবেন।

মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন যে, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশনভোগী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থার কর্মীরাও এই ডিএ পাবেন। অর্থ দপ্তরের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরই এই প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে।

কবে ঢুকবে টাকা? উচ্চশিক্ষা দপ্তরের এই তৎপরতা দেখে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নির্বাচনের আগেই কর্মীদের বকেয়া টাকার পরিমাণ চূড়ান্ত করে বিল তৈরির কাজ সেরে ফেলতে চায় নবান্ন। সব ঠিক থাকলে, খুব শীঘ্রই শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অ্যাকাউন্টে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই টাকা ঢুকতে শুরু করবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy