ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দেশজুড়ে চলা আইনি জট কাটাতে আসরে নামল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি দেশের বিভিন্ন হাই কোর্টে (রাজস্থান, কর্ণাটক, কেরালা ও দিল্লি) এই আইনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত রিট পিটিশনের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছেন।
এই জটিল বিষয়টি নিয়ে দিল্লি হাই কোর্টে চলমান সমস্ত মামলা একত্র করার আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র। শুনানির সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে, তাই হাই কোর্টগুলোর আলাদা রায় বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত মামলা কোনো একটি নির্দিষ্ট হাই কোর্টে স্থানান্তরিত করা হবে অথবা সুপ্রিম কোর্ট নিজেই এই মামলার চূড়ান্ত রায় প্রদান করবে।
উল্লেখ্য, জনৈক চিকিৎসক তথা याचिकाকারী ডঃ চন্দ্রেশ জৈন দাবি করেছেন, ২০২৬-এর এই সংশোধনী ২০১৪ সালের ঐতিহাসিক ‘নালসা’ (NALSA) রায়ের পরিপন্থী। তাঁর মতে, নালসা রায়ে লিঙ্গ নির্ধারণকে একজন ব্যক্তির মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল, যা নতুন সংশোধনীতে খর্ব করা হয়েছে। याचिकाকারীর দাবি, এই আইনের কোনো সুনির্দিষ্ট মেডিক্যাল ভিত্তি নেই। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে याचिकाকারীদের সহায়তা নেওয়া হবে। আদালত এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে একটি বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি। দেশজুড়ে ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে এই আইনি লড়াই এখন দেশের বিচার ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে।





