চুরি করা তার নিত্যদিনের অভ্যাস। তবে রবিবার এলেই তার পোয়াবারো। কারণ সেদিনই সে সবচেয়ে বেশি চুরি করা জিনিসপত্র তার মালকিনের বাড়িতে জমা করে। বলছি লিও নামের এক বিড়ালের কথা, যে তার মালকিনের বাড়িতে বহাল তবিয়তে থাকে আর সারাক্ষণ চুরির মতলবে বাড়ির বাইরে ঘোরাঘুরি করে।
এই ১৮ মাস বয়সী বিড়ালটি হয়তো চুরি কী বোঝে না, কিন্তু তার অদ্ভুত শখ এখন প্রতিবেশীদের মাথাব্যথার কারণ। মহিলাদের ব্রা, প্যান্টি থেকে শুরু করে পুরুষদের অন্তর্বাস – কিছুই তার নজর এড়ায় না। এই কাণ্ডের জেরে এলাকায় তার নতুন নাম হয়েছে ‘লিওনার্দো দা পিঞ্চি’!
লিও’র মালকিন অবশ্য দাবি করেছেন, বিড়ালটির অন্তর্বাস আর মোজা বিশেষ পছন্দ। তবে সে কেবল এগুলোই চুরি করে না। টুপি, বাগানের দস্তানা, বিভিন্ন জার্সি, তুলো ভরা খেলনা প্রাণী এবং আরও অনেক কিছু তার চুরির তালিকায় রয়েছে। এমনকি একটি খেলনা সাপও সে দু’বার চুরি করেছে!
চুরি করাতেই তার যত আনন্দ। চুরি করে জিনিস বাড়িতে আনার পর সেগুলোর প্রতি আর কোনো টান থাকে না তার। মালকিন একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং ফেসবুক গ্রুপ খুলেছেন স্থানীয়দের নিয়ে। সেখানে তিনি লিও’র আনা জিনিসপত্রের ছবি পোস্ট করেন এবং যার জিনিস, তাকে এসে সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে বলেন।
গত ৯ মাসে লিও দেড়শোরও বেশি জিনিস চুরি করেছে, যার মধ্যে অন্তর্বাস আর মোজার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দাদের মুখে মুখে এখন লিও’র চুরির গল্প ঘুরছে। এই বিড়াল চোরের কাণ্ড দেখে একদিকে যেমন স্থানীয়রা হতবাক, তেমনই বিষয়টি তাদের কাছে বেশ মজার খোরাকও হয়ে উঠেছে।





