চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এবার উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা গোটা ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, এই খুনের পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। ঘাতকরা চন্দ্রনাথকে শেষ করে দিতে যে গাড়িটি ব্যবহার করেছিল, সেটি আনা হয়েছিল প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে।
তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, খুনের জন্য ভিন রাজ্যের গাড়ি ব্যবহার করা অত্যন্ত পরিচিত একটি অপরাধমূলক কৌশল। এর মাধ্যমে অপরাধীরা সাধারণত পুলিশের নজরদারি এড়ানোর চেষ্টা করে। তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই গাড়িটি নিয়ে এলাকায় রেইকি করেছিল আততায়ীরা। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান খতিয়ে দেখার পরেই ঝাড়খণ্ড যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দারা।
ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে রাজ্যের তদন্তকারী দল। ওই গাড়ির নম্বর প্লেটটি আসল নাকি ভুয়ো, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, শুধু গাড়ি নয়, এই ঘটনার নেপথ্যে ভিন রাজ্যের কোনো সুপারি কিলার বা ‘ভাড়ায় খাটা’ অপরাধী চক্র জড়িত থাকতে পারে।
চন্দ্রনাথের পরিবারের দাবি এবং সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ এখন জানার চেষ্টা করছে, ঝাড়খণ্ড থেকে গাড়িটি ঠিক কে বা কারা আনিয়েছিল। এই নতুন সূত্রটি হাতে আসায় ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল ষড়যন্ত্রকারীর নাম দ্রুত সামনে আসবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডের এই নয়া মোড় এখন গোটা এলাকায় এবং প্রশাসনিক স্তরে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।





