গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়াল, সিসোদিয়া-সহ ২১ জনকে আবগারি মামলা থেকে বেকসুর খালাস করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যায় সিবিআই। সোমবার বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মার বেঞ্চ কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়ার কাছে এই বিষয়ে অবস্থান জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে। ১৬ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
তদন্তকারী সংস্থার প্রতি মন্তব্যে স্থগিতাদেশ
নিম্ন আদালত মামলার পর্যবেক্ষণে সিবিআই এবং তাদের তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা নিয়ে বেশ কিছু নেতিবাচক মন্তব্য করেছিল। এ দিন হাইকোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, বিচার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই এমন মন্তব্য বাস্তবিক ভাবে ভুল। হাইকোর্ট এই যুক্তি মেনে নিয়ে নিম্ন আদালতের সেই বিতর্কিত পর্যবেক্ষণে স্থগিতাদেশ জারি করেছে।
ইডির মামলাতেও নয়া মোড়
আবগারি দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই এবং ইডি (ED) দুটি সমান্তরাল মামলা চালাচ্ছে। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, সিবিআই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে যেন ইডি বা পিএমএলএ (PMLA) মামলার শুনানি না করা হয়। অর্থাৎ, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আইনি ভবিষ্যৎ এখন হাইকোর্টের রায়ের ওপর ঝুলে রইল।
ফিরে দেখা: নিম্ন আদালতের ক্লিন চিট
রাউস অ্যাভিনিউ আদালত জানিয়েছিল, আবগারি নীতির নেপথ্যে কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ‘বস্তুগত প্রমাণ’ মেলেনি। সেই দিন আদালত কক্ষেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান। কিন্তু সিবিআই-এর এই পাল্টা চালে দিল্লির রাজনীতিতে এখন নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।