শান্তি আলোচনা ভেস্তে যেতেই রণংদেহি মেজাজে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে এবার সরাসরি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেহরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত এই জলপথ বন্ধ হলে কার্যত পঙ্গু হয়ে পড়বে ইরানের তেল রপ্তানি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই কঠোর পদক্ষেপে ইরানের চারটি প্রধান বন্দর—খার্গ দ্বীপ, জাস্ক টার্মিনাল, বন্দর আব্বাস এবং বন্দর খোমেনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যেখানে আগে ইরানি জাহাজগুলোকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছিল, এখন মার্কিন নৌবাহিনী সেই পথ আটকে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চ মাস পর্যন্ত ইরান দৈনিক ১৮ লক্ষ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যা তাদের সামরিক ও সরকারি ব্যয়ের মূল উৎস। এতদিন তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমেরিকা কিছুটা নমনীয় থাকলেও, ট্রাম্পের বর্তমান অবস্থানে ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়া এখন সময়ের অপেক্ষা।





