আর সহ্য নয় অনুপ্রবেশ! ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় বদল আনছেন অমিত শাহ

দেশের নিরাপত্তা ও জনতাত্ত্বিক ভারসাম্য রক্ষায় পূর্ব সীমান্তে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রুস্তমজি স্মৃতি বক্তৃতা অনুষ্ঠানে শাহ বিএসএফ-কে নির্দেশ দেন, শুধু সীমানা পাহারায় সীমাবদ্ধ না থেকে স্থানীয় প্রশাসন ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে অনুপ্রবেশের রুটগুলো চিহ্নিত করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের মাধ্যমে দেশের জনতাত্ত্বিক কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এটি রুখতে আগামী বছর থেকে ভারত-বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তকে অত্যাধুনিক ড্রোন, রাডার ও স্মার্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ‘স্মার্ট বর্ডার’-এ রূপান্তর করা হবে। এর মাধ্যমে মাদক, অস্ত্র ও জাল নোটের কারবারও কঠোরভাবে দমন করা হবে। শাহ স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘোষিত নতুন ‘জনতাত্ত্বিক মিশন’ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পাশাপাশি অমিত শাহ অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন, সরকারের দৃঢ় সদিচ্ছায় ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে নকশালবাদ পুরোপুরি নির্মূল হয়েছে। একদা যা অসম্ভব মনে হয়েছিল, সুরক্ষা বাহিনী ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় তা আজ বাস্তব। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারত এখন আর আলোচনার পথে নেই, বরং যেকোনো হুমকির জবাবে সিদ্ধান্তমূলক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মাধ্যমে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy