আজকাল বাজারে ভেজাল মধুর ভিড়ে খাঁটি পণ্য চেনা দায়। এই পরিস্থিতিতে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের মধুর বিশুদ্ধতা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বখ্যাত ‘এলসেভিয়ার’ (Elsevier) জার্নালে। গবেষণায় পতঞ্জলি মধুর প্রাকৃতিক উপাদান ও গুণমান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা গেছে, এই মধু সমস্ত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং এতে কোনও ক্ষতিকারক ভেজাল নেই। পতঞ্জলি দাবি করেছে, তাদের মধু সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের মানদণ্ড বজায় রেখে প্রস্তুত।
যোগগুরু বাবা রামদেব জানিয়েছেন, আয়ুর্বেদে মধুকে ‘মহা-ওষধি’ বলা হয়। এটি কেবল হজমশক্তি বাড়ায় না, বরং সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথার উপশমেও অদ্বিতীয়। নিয়মিত হালকা গরম জলের সাথে মধু সেবন করলে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত হ্রাস পায়। মধুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা জরুরি; যেমন মধুকে কখনও সরাসরি ফুটিয়ে গরম করা উচিত নয় এবং এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু দেওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। মধুর পুষ্টিগুণ পেতে বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।