কেন এই কড়া পদক্ষেপ?
ভারত সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি আইন (IT Rules, 2021) অনুযায়ী, প্রতি মাসে হোয়াটসঅ্যাপ তাদের কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেয়। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ৯৪০০টি অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ ছিল। প্রধানত যে কারণগুলোর জন্য আপনার অ্যাকাউন্টও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে:
স্প্যামিং (Spam): অজানা নম্বরে বারবার বাল্ক মেসেজ বা লিংক পাঠানো।
ভুল তথ্য ছড়ানো: কোনো যাচাই না করে উসকানিমূলক বা ভুয়ো খবর শেয়ার করা।
নিষিদ্ধ অ্যাপ ব্যবহার: অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপের বদলে WhatsApp GB, WhatsApp Plus বা FM WhatsApp-এর মতো থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করা।
অশ্লীল কন্টেন্ট: ক্ষতিকারক বা নীতি-বিগর্হিত কোনো ছবি বা ভিডিও আদান-প্রদান করা।
ইউজার রিপোর্ট: যদি অনেক মানুষ আপনার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ‘রিপোর্ট’ বা ‘ব্লক’ অপশন ব্যবহার করে।
আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?
হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের সাফ বার্তা, প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ রাখতেই এই ‘ক্লিনিং ড্রাইভ’ চালানো হয়েছে। আপনার অ্যাকাউন্টটি যাতে বন্ধ না হয়, তার জন্য নিচের বিষয়গুলো মেনে চলুন:
১. শুধুমাত্র Google Play Store বা Apple App Store থেকে অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করুন। ২. কাউকে বিরক্তিকর মেসেজ পাঠাবেন না। ৩. অপরিচিত নম্বর থেকে আসা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক বা ফরোয়ার্ড করবেন না। ৪. অ্যাকাউন্টে Two-Step Verification অন করে রাখুন।
অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হলে কী করবেন?
যদি আপনার অ্যাকাউন্টটি ভুলবশত নিষিদ্ধ করা হয়, তবে হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন করে ‘Request a Review’ বাটনে ক্লিক করে আপিল করতে পারেন। তথ্য খতিয়ে দেখে সব ঠিক থাকলে অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।





