বর্তমান বিশ্বে মেসেজিং অ্যাপ বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে হোয়াটসঅ্যাপের নাম। কিন্তু এবার সেই রাজত্বে ভাগ বসাতে কোমর বেঁধে নামলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলন মাস্ক। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি নিয়ে এলেন নতুন যোগাযোগ মাধ্যম ‘Xchat’।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, জাকারবার্গের মেটা-র একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই মাস্কের এই মাস্টারস্ট্রোক। ইতিমধ্যেই টেক দুনিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে যে, Xchat-এর আগমনে হোয়াটসঅ্যাপের দিন কি তবে শেষ হতে চলেছে?
কী কী থাকছে নতুন এই Xchat-এ?
মাস্কের এই নতুন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা সাধারণ মেসেজিংয়ের বাইরেও একগুচ্ছ অত্যাধুনিক সুবিধা পাবেন:
নিরাপত্তায় আপসহীন: হোয়াটসঅ্যাপের মতোই এই অ্যাপে থাকছে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন (End-to-end Encryption)। অর্থাৎ প্রেরক এবং প্রাপক ছাড়া তৃতীয় কেউ তো বটেই, এমনকি সংস্থা নিজেও মেসেজ পড়তে পারবে না।
সুপার অ্যাপের ছোঁয়া: শোনা যাচ্ছে, Xchat শুধুমাত্র মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর মাধ্যমে অডিও-ভিডিও কলিংয়ের পাশাপাশি বড় ফাইল শেয়ারিং এবং সরাসরি পেমেন্ট করার সুবিধাও যুক্ত করা হতে পারে।
X-এর সাথে সমন্বয়: যেহেতু এটি এলন মাস্কের ইকোসিস্টেমের অংশ, তাই খুব সহজেই X (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI): এতে মাস্কের নিজস্ব AI প্রযুক্তি ‘Grok’-এর সংহতি থাকতে পারে, যা ব্যবহারকারীর চ্যাটিং অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলবে।
কেন বিপাকে হোয়াটসঅ্যাপ?
দীর্ঘদিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি পলিসি নিয়ে বিতর্ক চলছে। অন্যদিকে, এলন মাস্ক বরাবরই বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তার পক্ষে সওয়াল করে এসেছেন। ফলে একটি বড় অংশের ব্যবহারকারী বিকল্প হিসেবে Xchat-এর দিকে ঝুঁকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।





