রাজ্যজুড়ে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু হয়ে গেলেও, কর্মসূত্রে নিজের বাড়িতে থাকতে পারছেন না এমন ভোটারদের জন্য অনলাইন ফর্ম ফিলআপের সুবিধা চালু হতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।
যতদূর খবর, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে কিছু আপডেটের কাজ চলছে। তাই আজ থেকে সেই সুবিধা না মিললেও, আগামী দুই দিন পর থেকেই অনলাইনে ফর্ম ফিলআপের সুবিধা চালু হয়ে যাবে। এই অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দূর থেকেও ভোটার তালিকায় নিজের নাম সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
📱 কোথায় এবং কীভাবে করবেন অনলাইনে আবেদন?
কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অনলাইন ফর্ম ফিলআপের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ করা হয়েছে।
- অ্যাপ ডাউনলোড: অনলাইনে ফর্ম ফিলআপের জন্য প্রথমে ECINET নামক অ্যাপটি Google Play Store এবং Apple App Store থেকে ডাউনলোড করতে হবে।
- সরাসরি পূরণ: অনেকেই ভাবছেন ফর্ম ডাউনলোড করে তারপর ফিলাপ করতে হবে। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। এক্ষেত্রে অনলাইনেই গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে। অ্যাপে থাকা অপশন বেছে ফর্ম পূরণ করতে হবে। কোনো ফর্ম ডাউনলোড করার প্রয়োজন নেই।
- জমা: এই অ্যাপের মাধ্যমেই পূরণ করা ফর্ম সরাসরি কমিশনে জমা দেওয়া যাবে এবং ভোটার লিস্টে নাম রাখা যাবে।
📑 কাদের নথি লাগবে, কাদের লাগবে না?
SIR প্রক্রিয়ায় ভোটারদের নথি জমা দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে:
| পরিস্থিতি | নথি প্রয়োজন? | কী জমা দিতে হবে/দেখাতে হবে |
| ভোটারের নাম ২০০২ লিস্টে আছে | না | ২০০২ সালের ভোটার লিস্টের প্রতিলিপি |
| নিজের নাম নেই, কিন্তু বাবা-মায়ের নাম ২০০২ লিস্টে আছে | না | বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া অন্য কোনো নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই |
| নিজের বা অভিভাবকের নাম ২০০২ সালের লিস্টে নেই | হ্যাঁ | কমিশনের বলে দেওয়া ১১টি নথির মধ্যে যেকোনো একটি (যেমন: আধার কার্ড) |
- নথি না থাকলে: যদি কোনো ভোটারের কাছে উপরের কোনো নথিই না থাকে, তবে ইলেকশন কমিশন তাঁকে ডেকে নেবে (হিয়ারিং)। সেখানে নিজের কাছে থাকা অন্যান্য ডকুমেন্ট দেখালেই ভোটার লিস্টে নাম থাকবে।
কাজেই, কর্মসূত্রে বাইরে থাকা ভোটারদের আর দু’দিন অপেক্ষা করে ECINET অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।