“EPL-এর ধাঁচে সাজবে ISL!”-কিন্তু কেন বেঁকে বসল মোহনবাগান? নেপথ্যে কোন রহস্য?

ভারতীয় ফুটবলকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের পথে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং বিশ্বখ্যাত স্পোর্টস টেকনোলজি সংস্থা ‘জিনিয়াস স্পোর্টস’ (Genius Sports)-এর মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ্য একটাই— ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (EPL) বা লা লিগার মতো আইএসএল-কেও এক শক্তিশালী বাণিজ্যিক ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলা।

কী এই ‘জিনিয়াস স্পোর্টস’ প্রযুক্তি?

জিনিয়াস স্পোর্টস বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশে কাজ করে। তাদের প্রস্তাবে রয়েছে:

  • AI চালিত অফিশিয়েটিং: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে রেফারিংকে ত্রুটিমুক্ত ও স্বচ্ছ করা।

  • ফ্যান এনগেজমেন্ট: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য খেলা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলা।

  • রাজস্ব বণ্টন: লিগের সম্প্রচার ও স্পনসরশিপ থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি বড় অংশ সরাসরি ক্লাবগুলোর তহবিলে পৌঁছে দেওয়া।

ইস্টবেঙ্গলের সবুজ সংকেত

ফেডারেশনের এই মাস্টারপ্ল্যানে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার এই অংশীদারিত্ব নিয়ে আশাবাদী। তিনি জানান, আয়ের নতুন পথ খুলে যাওয়ায় ভারতীয় ফুটবল আরও বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী হবে। তবে তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, সম্প্রচার স্বত্বের টাকা বণ্টনের ক্ষেত্রে যেন স্বচ্ছতা বজায় থাকে, যাতে ক্লাবগুলো দীর্ঘমেয়াদীভাবে টিকে থাকতে পারে।

মোহনবাগানের অনুপস্থিতি ও অনাস্থা

এই মেগা বৈঠকের সবথেকে বড় চমক ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের অনুপস্থিতি। সূত্রের খবর, এই সংস্থার প্রস্তাবিত মডেল বা সংস্থার কার্যকারিতা নিয়ে মোহনবাগান কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অর্থাৎ সহজ কথায়, জিনিসের স্পোর্টস-এর ওপর আস্থা নেই সবুজ-বড়ুয়ান শিবিরের। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ আর্থিক সমস্যার কারণে বৈঠকে থাকতে পারেনি ইন্টার কাশীও।