৭ বছরের আক্ষেপ ঘোচাতে পারবেন কি? ঘরের মাঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নামার আগে বিরাট হুংকার পিভি সিন্ধুর!

দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঘরের মাঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা আসরে নামতে চলেছেন জোড়া অলিম্পিক পদকজয়ী পিভি সিন্ধু। ২০১৯ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ের পর বিগত সাত বছর এই টুর্নামেন্টে আর কোনো পদক আসেনি তাঁর ঝুলিতে। তবে ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে বিডব্লিউএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আসর বসায় এবার পদকের খরা কাটাতে মরিয়া ভারতীয় এই তারকা শাটলার।

সোমবার থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। উদ্বোধনী দিনেই আইরিশ প্রতিদ্বন্দী সোফিয়া নোবেলের বিরুদ্ধে নিজের অভিযান শুরু করছেন বিশ্বের নয় নম্বর এই শাটলার। তার আগে রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের অনুভূতির কথা শেয়ার করে সিন্ধু জানান, ঘরের মাঠে খেলার উত্তেজনা ও দেশের মানুষের সমর্থন তাঁর বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে। সাম্প্রতিককালে জাপান ওপেনের মতো বিডব্লিউএফ-৭৫০ টুর্নামেন্ট জয় তাঁর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কোনো অতিরিক্ত চাপ না নিয়ে একটি করে ম্যাচ ধরে এগোনোর কথাই ভাবছেন হায়দরাবাদি শাটলার।

সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে খেলার কৌশল

নিজের প্রথম বিশ্ব খেতাব জয়ের সোনালী স্মৃতি রোমন্থন করে সিন্ধু বলেন, ২০১৯ সালে ব্যাডমিন্টনের ধরন অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ও দ্রুতগতির ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে মহিলা সিঙ্গলস অনেক বেশি দীর্ঘ র‍্যালি এবং ধৈর্যের খেলায় পরিণত হয়েছে। এছাড়া আগামী বছর থেকে ১৫ পয়েন্টের নতুন স্কোরিং পদ্ধতি চালুর বিষয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের অন্য তারকাদের দিকেও নজর

চলতি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে শুধু সিন্ধুই নন, ভারতের পদক জয়ের হাতছানি রয়েছে আরও বেশ কয়েটি জুটির ওপর। মহিলা সিঙ্গলসে সিন্ধুর পাশাপাশি লড়াইয়ে থাকছেন তরুণ তুর্কি উন্নতি হুডা। অন্যদিকে পুরুষ বিভাগে লক্ষ্য সেন ও আয়ুষ শেট্টির ওপর ভরসা রাখছে দেশ। পাশাপাশি পুরুষ ডাবলসে সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি, মহিলাদের ডাবলসে তৃষা জলি ও গায়ত্রী গোপীচাঁদ এবং মিক্সড ডাবলসে ধ্রুব কাপিলা ও তানিশা ক্র্যাস্টোর পারফরম্যান্সের দিকেও তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশের ব্যাডমিন্টন অনুরাগীরা। ঘরের মাটিতে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ভারতীয় শাটলাররা কতটা সফল হন, এখন সেটাই দেখার।