৬ মাস আগে বাবা-মায়ের আত্মহত্যা, এবার মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু! হুগলির চন্দননগরে দাস পরিবারের মর্মান্তিক পরিণতিতে রহস্য

হুগলির চন্দননগরে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক পরিণতিতে গভীর রহস্য দানা বাঁধছে। ৬ মাস আগে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন বাবা-মা। এবার সেই মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো।

মৃতার নাম শর্মিষ্ঠা দাস (৪৩)। বুধবার বিকেলে চন্দননগর থানার পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

৬ মাস আগের ঘটনা:

জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ৬ জুন চন্দননগরের বৈদ্যপোতা এলাকার দাস পরিবারে এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল। বৃদ্ধ দম্পতি একেন্দ্র নাথ দাস (৮৭), সুনীতা দাস (৮৩) এবং তাঁদের মেয়ে শর্মিষ্ঠা দাস ঘুমের ওষুধ খেয়ে একসঙ্গে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

অচৈতন্য অবস্থায় তিনজনকে বাড়ি থেকে উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃদ্ধ দম্পতি একেন্দ্র নাথ দাস ও সুনীতা দাসের মৃত্যু হয়। তবে শর্মিষ্ঠার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই সময় শর্মিষ্ঠা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, পরিবারে চরম আর্থিক অনটনের কারণেই তাঁরা এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

আজকের মর্মান্তিক পরিণতি:

বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর ৬ মাস কেটে গেলেও, এবার শর্মিষ্ঠারও অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো। পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, শর্মিষ্ঠার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনা কি আরও এক আত্মহত্যা, নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরপর তিনজনের মৃত্যুতে বৈদ্যপোতা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।