৬৫০ পেরল মৃত্যুমিছিল! ফের ভারী বৃষ্টির ভ্রুকুটিতে নেপালের উদ্ধারকাজে নামল সর্বোচ্চ সতর্কতা

চারদিন আগের ভয়াবহ হড়পা বান ও ধসের ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি নেপাল। এরমধ্যেই নতুন করে বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের পূর্বাভাসে দেশজুড়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টি হলে শুধু উদ্ধারকাজই ব্যাহত হবে না, নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়ে নতুন করে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়া দফতরের। এই পরিস্থিতিতে গোটা দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি রেখেছে সরকার।
চলতি বিপর্যয়ে নেপালে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৬৫০ ছাড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ২৪০০ জনের বেশি মানুষ। সেনাসহ ১৫ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী উদ্ধারকাজে নামলেও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছতে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কোশি, বাগমতী এবং গান্ডাকি প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রসুয়া জেলার কোশি এলাকায় নদীর জল বাড়ার আশঙ্কা তীব্র হয়েছে।
এর পাশাপাশি চিন সীমান্ত সংলগ্ন তিব্বত এলাকায় নদীর উৎসের কাছে পাহাড় ধসে একটি নতুন ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিক জলাধার তৈরি হওয়ায় বিপদ আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ওই জলাধারের বাঁধ ভেঙে গেলে আচমকা বিপুল পরিমাণ জল নেমে এসে পরিস্থিতি ভয়াবহ করে তুলতে পারে। নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং উদ্ধারকাজ সচল রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধারের সময় যত গড়াচ্ছে, উৎকণ্ঠা তত বাড়ছে স্বজনহারাদের।