৪ দশকে প্রথমবার! অ্যাঙ্গোলার মাটিতে পা রাখলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাই মূল লক্ষ্য

ভারত ও অ্যাঙ্গোলার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০তম বার্ষিকী উদযাপনের এক গুরুত্বপূর্ণ বছরে, অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডায় পৌঁছলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এটি কোনও ভারতীয় রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম অ্যাঙ্গোলা সফর, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
রাষ্ট্রপতি ভবনের মতে, এই সফরটি আফ্রিকা এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য ভারতের গভীর প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে।
প্রথম পর্যায়: অ্যাঙ্গোলা (ঐতিহাসিক সফর)
রাষ্ট্রপতি মুর্মু অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রপতি জোয়াও লরেন্সোর আমন্ত্রণে ৮ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত অ্যাঙ্গোলায় থাকবেন।
গুরুত্ব: এই বছর ভারত ও অ্যাঙ্গোলা কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।
কর্মসূচি: অ্যাঙ্গোলায় থাকাকালীন রাষ্ট্রপতি মুর্মু তার অ্যাঙ্গোলান প্রতিপক্ষের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন, ১১ নভেম্বর অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনে যোগ দেবেন এবং অ্যাঙ্গোলার সংসদে ভাষণ দেবেন। এছাড়াও তিনি ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
বিদেশ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সচিব সুধাকর দালেলা জানিয়েছেন, এই সফর আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব জোরদার করার জন্য ভারতের ক্রমবর্ধমান মনোযোগকে প্রতিফলিত করে।
দ্বিতীয় পর্যায়: বতসোয়ানা ও ‘প্রজেক্ট চিতা’
১১ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি মুর্মু বতসোয়ানার রাষ্ট্রপতি ডুমা গিডিয়ন বোকোর আমন্ত্রণে বতসোয়ানা সফর করবেন।
আলোচ্য বিষয়: এই সময়ে তিনি বতসোয়ানার নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। এই আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হবে।
বিশেষ এজেন্ডা: এই সফরে ‘প্রজেক্ট চিতা’-র অংশ হিসেবে বতসোয়ানা থেকে চিতা স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হবে বলে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বতসোয়ানার জাতীয় পরিষদেও ভাষণ দেবেন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করবেন।