“১ মিনিটের মাথায় গোল করেও হাতছাড়া জয়!”-কেরালা ম্যাচে ড্র করে সমর্থকদের রোষানলে ইস্টবেঙ্গল

ঘরের মাঠে স্বপ্নভঙ্গ লাল-হলুদ ব্রিগেডের। লিগের শুরুতে টানা দুই ম্যাচ জিতে যে প্রত্যাশার পারদ চড়েছিল, ওড়িশা ও গোয়ার পর এবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও সেই তাল কাটল ইস্টবেঙ্গলের। যুবভারতীতে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হলো অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের। আর এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরেই গ্যালারি থেকে উঠল কুখ্যাত ‘গো ব্যাক অস্কার’ ধ্বনি।

ম্যাচের শুরুতেই চমক, শেষে হতাশা: ম্যাচের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। ঘড়ির কাঁটায় মাত্র ১ মিনিট! এডমুন্ডের পাস থেকে বল জালে জড়ানোর মুহূর্তে ইউসেফ ইজ্জেজারিকে অবৈধভাবে ট্যাকল করেন কেরালার আইবান। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে ভুল করেননি এবং নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন ইজ্জেজারি। কিন্তু সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারল না ইস্টবেঙ্গল।

কোথায় ডুবল লাল-হলুদ নৌকা?

  • ছন্নছাড়া মাঝমাঠ: আনোয়ার আলি বা বিপিন সিংদের মধ্যে সেই চিরপরিচিত রসায়ন এদিন উধাও ছিল।

  • সুযোগ নষ্টের মহড়া: গোয়া ম্যাচের মতোই এদিনও গোলের একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করেন ফুটবলাররা।

  • ডিফেন্সের ফাঁক: দ্বিতীয়ার্ধে কামব্যাক করে কেরালা। লাল-হলুদ রক্ষণের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে সমতাসূচক গোলটি করে যান মহম্মদ আজসল।

সমর্থকদের ক্ষোভ ও কোচের প্রতিক্রিয়া: ম্যাচ শেষে গ্যালারির ক্ষোভ দেখে বিমর্ষ শোনাল অস্কার ব্রুজোকে। সমর্থকদের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান নিয়ে তিনি বলেন, “সমর্থকদের রাগটা একদম যথার্থ। তারা টাকা খরচ করে জয় দেখতে এসেছেন, এমন খেলা দেখলে হতাশা আসবেই। আমরা সত্যিই খুব খারাপ খেলেছি।”

অন্যদিকে, কেরালার কোচ ডেভিড কাটালা যেন কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরেই জানালেন, ইস্টবেঙ্গলের চেয়েও মোহনবাগান তাঁর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ তাঁর মতে, সবুজ-বেগুনি শিবিরে প্রতিভাবান ফুটবলারের সংখ্যা বেশি। যদিও এই ড্র-ই তাঁর দলকে আগামী ম্যাচের অক্সিজেন দেবে বলে মনে করছেন তিনি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy