২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই তপ্ত বাংলার রাজনীতি। সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—উভয় আসনেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা হতেই লড়াইয়ের পারদ তুঙ্গে। ৫ বছর পর আবারও বাংলার মানুষ সাক্ষী হতে চলেছেন এক মেগা ডুয়েল: মমতা বনাম শুভেন্দু। মঙ্গলবার কালীঘাটে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর শুভেন্দুর প্রার্থপদ নিয়ে প্রশ্ন করতেই মেজাজ হারান তৃণমূল সুপ্রিমো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান, “অভিষেক আগেই ঘোষণা করেছে আমি ভবানীপুরের প্রার্থী। মানুষের ওপর আমার অগাধ বিশ্বাস আছে। আমি ৩৬৫ দিন মানুষের জন্য কাজ করি, পুজো থেকে ইদ সব উৎসবে পাশে থাকি।” শুভেন্দুর ডাবল সিটে লড়াই প্রসঙ্গে বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ভবানীপুরে এবার অনেক বেশি ভোটে জয়ী হব। ২৯৪টি আসনের লড়াইয়ে ভবানীপুরই লিড দেবে।”
উল্লেখ্য, ২০২১-এর উপনির্বাচনে মমতা ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জিতলেও, এবার ভোটার তালিকা থেকে ৪৭ হাজার নাম বাদ পড়া নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমার ছোট কেন্দ্র, সেখান থেকেও ৪৪ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও বলছি, আমিই জিতব।” অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের পাল্টা দাবি, “মুখ্যমন্ত্রীকে যখন নিজের কাজের সাফাই দিতে হচ্ছে, তখনই বোঝা যাচ্ছে ভবানীপুরেও শুভেন্দু জিতবে।” একদিকে মমতার ২২৬টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে বিজেপির ক্ষমতা দখলের ডাক—সব মিলিয়ে ভবানীপুর এখন সরগরম।