“১৫ বছরেই কোটিপতি!”-মাসে কত টাকা জমালে মিলবে ১ কোটি? জেনে নিন SIP-র সহজ হিসেব

খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেও একটু হিসেব করে চললে কোটিপতি হওয়া সম্ভব। এর জন্য আপনাকে সাহায্য করবে SIP (Systematic Investment Plan)। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাঙ্কের সামান্য সুদে কোটিপতি হওয়া কঠিন, তাই শেয়ার বাজারের মিউচুয়াল ফান্ডেই রাখতে হবে ভরসা।

১৫ বছরে ১ কোটি জমানোর ৩টি হিসেব:

আপনি কত টাকা রিটার্ন পাচ্ছেন, তার ওপর ভিত্তি করে আপনার মাসিক জমার পরিমাণ ঠিক হবে। নিচে তিনটি সম্ভাব্য হিসেব দেওয়া হলো:

বার্ষিক রিটার্ন (প্রত্যাশিত)মাসিক বিনিয়োগ (SIP)১৫ বছর পর মোট আমানত
১০% রিটার্ন হলে৩৫,০০০ টাকাপ্রায় ১.০৯ কোটি টাকা
১২% রিটার্ন হলে২৭,০০০ টাকাপ্রায় ১.০৮ কোটি টাকা
১৪% রিটার্ন হলে২১,৫০০ টাকাপ্রায় ১.০৮ কোটি টাকা

কোন ফান্ডে বিনিয়োগ করবেন?

আপনার ঝুঁকির ক্ষমতা অনুযায়ী ফান্ড বেছে নিতে হবে:

  • লার্জক্যাপ ফান্ড (Large Cap): এখানে ঝুঁকি কম, কারণ টাকা বিনিয়োগ করা হয় দেশের বড় বড় নামী কোম্পানিতে। রিটার্ন সাধারণত স্থিতিশীল থাকে।

  • মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ (Mid & Small Cap): এখানে দীর্ঘমেয়াদে রিটার্ন অনেক বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে (অনেক সময় ১৫-১৮%)। তবে মনে রাখবেন, এখানে ঝুঁকির পরিমাণও লার্জক্যাপের তুলনায় বেশি।

বিনিয়োগ শুরু করবেন কীভাবে?

আজকাল বিভিন্ন ট্রেডিং অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই কেওয়াইসি (KYC) সেরে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ শুরু করা যায়। আপনি আপনার সুবিধা মতো মাসিক তারিখ সেট করে নিতে পারেন, যে দিন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকাটি সরাসরি মিউচুয়াল ফান্ডে চলে যাবে।

সতর্কবার্তা: শেয়ার বাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকির সাপেক্ষ। বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই নিজে ভালো করে রিসার্চ করুন অথবা একজন সার্টিফাইড আর্থিক উপদেষ্টার (Financial Advisor) পরামর্শ নিন। এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy