হ্যাজেলউড নেই তো কী? ডাফির আগুনেই পুড়ল অরেঞ্জ আর্মি! এক ওভারেই ট্রাভিস হেড-অভিষেক শেষ!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাঁর ঝুলিতে ছিল মোটে ৩ উইকেট, সেই ক্রিকেটারই কি না আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন! জস হ্যাজেলউডের অনুপস্থিতিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু (RCB) ভরসা রেখেছিল নিউজিল্যান্ডের বোলার জেকব ডাফির ওপর। আর চিন্নাস্বামীর বাইশ গজে সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দিলেন কিউয়ি পেসার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেড এবং নীতিশ কুমার রেড্ডিকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে অরেঞ্জ আর্মির কোমর ভেঙে দিলেন তিনি।

ডাফি ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভাঙল সানরাইজার্স এদিন শুরু থেকেই শর্ট অফ লেংথ ডেলিভারিকে অস্ত্র করেছিলেন ডাফি। তাঁর আগুনের গোলার সামনে কার্যত অসহায় দেখাল হায়দরাবাদের তারকাখচিত টপ অর্ডারকে। ডাফির বোলিংয়ে এতটাই ধার ছিল যে, ক্যাপ্টেন রজত পাতিদার তাঁকে দিয়ে টানা ৪ ওভারের কোটা শেষ করান। স্পেল শেষ হওয়ার পর ডাফির জায়গায় ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে রোমারিও শেফার্ডকে নামানো হয়।

কীভাবে এল সাফল্য?

  • অভিষেক শর্মা: অফ স্টাম্পের বাইরে ১৩৩ কিমি গতির ব্যাক অফ লেংথ বলটি পুল করতে গিয়ে ভুল করেন অভিষেক। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় সোজা ফিল্ডারের হাতে। ফর্মহীনতার জের কাটল না তাঁর।

  • ট্রাভিস হেড: একই ওভারে ডাফির ১৩৬ কিমি গতির বাউন্সারে সজোরে পুল মারেন হেড। কিন্তু ফিল সল্ট অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। গতির ধাক্কায় সল্ট পড়ে গেলেও বল হাতছাড়া করেননি।

  • নীতিশ কুমার রেড্ডি: শরীর লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা ১৩৪ কিমি গতির বলে কুপোকাত হন নীতিশ। পেটের উচ্চতায় থাকা শর্ট ডেলিভারিটি পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি।

হ্যাজেলউড না থাকায় আরসিবির বোলিং আক্রমণ নিয়ে যে দুশ্চিন্তা ছিল, ডাফির এই পারফরম্যান্স এক নিমেষেই তা উড়িয়ে দিল। আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই কিউয়ি তারকার এই দাপট টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলোর কপালে যে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে, তা বলাই বাহুল্য।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy