প্রতিদিনের সেই একই ডাল-ভাত খেতে কার ভালো লাগে? কিন্তু অফিস বা কাজের চাপে হাতে সময় যখন খুব কম, তখন আলাদা করে মাছের ঝোল বা তরকারি রাঁধার সময় থাকে না। এই সমস্যার সহজ সমাধান হলো ‘ডাল-চিংড়ি’। স্বাদ এবং পুষ্টি— দুইয়েই এটি অনন্য। মাত্র ১৫ মিনিটেই কীভাবে এই রাজকীয় পদটি বানিয়ে ফেলবেন, দেখে নিন তার ঘরোয়া পদ্ধতি।
উপকরণ গুছিয়ে নিন:
মুসুরির ডাল: ২৫০ গ্রাম
কুচো চিংড়ি: ২০০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি: ৬ টেবিল চামচ
আদা-রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ
টম্যাটো কুচি: ৬ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা: ৪টি (মাঝখান থেকে চেরা)
গুঁড়ো মশলা: হলুদ, লঙ্কা ও ধনে গুঁড়ো (স্বাদমতো)
ফোঁড়নের জন্য: শুকনো লঙ্কা ও গোটা গরম মশলা
স্বাদ বৃদ্ধিতে: ঘি, নুন, চিনি ও ধনেপাতা কুচি
রান্নার সহজ পদ্ধতি (Step-by-Step Recipe):
১. ডাল সেদ্ধ: প্রথমে মুসুরির ডাল ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে নিন। খেয়াল রাখবেন ডাল যেন নরম হয় কিন্তু একদম গলে না যায়।
২. চিংড়ি ভাজা: কুচো চিংড়িতে নুন-হলুদ মাখিয়ে সরষের তেলে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। বেশি ভাজলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যেতে পারে।
৩. মশলা কষানো: কড়াইতে তেল গরম করে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ও গোটা গরম মশলা ফোঁড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বেরোলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা লাল করে ভাজুন। এরপর আদা-রসুন বাটা, টম্যাটো কুচি ও গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন।
৪. মেশানো: মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে তাতে আগে থেকে সেদ্ধ করা ডাল এবং ভাজা চিংড়িগুলো দিয়ে দিন। সবটা ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রান্না হতে দিন।
৫. ফিনিশিং টাচ: ডাল ঘন হয়ে এলে সামান্য গরম জল, স্বাদমতো নুন-চিনি এবং এক চামচ ঘি মিশিয়ে নিন। স্বাদ আরও বাড়াতে চাইলে অল্প নারকেলের দুধও দিতে পারেন।
৬. পরিবেশন: সব শেষে চেরা কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। গরম ভাতের সঙ্গে এই ডাল-চিংড়ি থাকলে দুপুরের খাওয়া হবে একদম জমে ক্ষীর!