বৈশাখের শুরুতেই তপ্ত রোদে পুড়ছে বাংলা। সকাল ন’টা বাজতেই আগুনের হলকা জানান দিচ্ছে আবহাওয়া কতটা চরম হতে পারে। এই অসহ্য গরমে সবথেকে বেশি কষ্টে পড়ছে স্কুলের ছোট ছোট পড়ুয়ারা। ঘাম আর ক্লান্তিতে ক্লাসরুমেও টেকা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের। এই পরিস্থিতিতে খুদেদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে রাজ্য শিক্ষা দফতর বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।
এগিয়ে আসছে গরমের ছুটি? সাধারণত প্রতি বছরই তীব্র দাবদাহের কারণে গরমের ছুটি কিছুটা এগিয়ে আনা হয়। অনেক স্কুলে বর্তমানে পরীক্ষা চলছে বা ছুটির ঠিক পরেই ক্লাস টেস্টের নির্ঘণ্ট রয়েছে। সিলেবাস শেষ করার স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রে স্কুল ‘মর্নিং’ বা প্রাতঃকালীন করা হয়। তবে বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে শুধু মর্নিং স্কুলে স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাই পঠনপাঠন বন্ধ রেখে সরাসরি গরমের ছুটি এগিয়ে আনার পথেই হাঁটতে পারে রাজ্য।
ভোটের মরশুম ও ছুটির সমীকরণ রাজ্যজুড়ে এখন একাধারে প্রকৃতির উত্তাপ, অন্যদিকে নির্বাচনের উত্তাপ। মনে করা হচ্ছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনী ডামাডোল কিছুটা থিতু হলেই সরকারিভাবে ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। বিশেষ করে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরেই স্কুলগুলিতে তালা ঝুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নবান্ন সূত্রে খবর, শিশুদের শারীরিক অবস্থার কথা চিন্তা করেই এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, যাতে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে তারা অসুস্থ হয়ে না পড়ে।
কবে থেকে কার্যকর হবে এই নির্দেশিকা? সূত্রের খবর অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি, সরকার পোষিত এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শুরু হয়ে যেতে পারে। তবে জেলাভিত্তিক তাপমাত্রার তারতম্য অনুযায়ী ছুটির তারিখে কিছুটা অদলবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে জেলাগুলিতে পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে, সেখানে তড়িঘড়ি ছুটি দেওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা দফতরের।





