সেনা প্রত্যাহার করবে ইজরায়েল! ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনাকে কেন ‘নেতানিয়াহুর প্রতিফলন’ বললেন মোদী?

দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাতের পর গাজায় শান্তির এক বড় বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাঁর সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে দাবি করেছেন যে, ইজরায়েল ও হামাস উভয়েই তাঁর প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তির প্রথম পর্যায়ে সই করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, খুব শিগগিরই সব বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং ইজরায়েল তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করবে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, ইজরায়েল ও হামাস উভয়েই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ে সই করেছে। এর মানে, খুব শিগগিরই সব বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং ইজরায়েল তাদের সেনাবাহিনী (IDF) নির্ধারিত সীমারেখা থেকে প্রত্যাহার করবে— শক্তিশালী, স্থায়ী ও চিরস্থায়ী শান্তির এটাই প্রথম পদক্ষেপ।”

তিনি আরও যোগ করেন, এই চুক্তি আরব ও মুসলিম দুনিয়া, ইজরায়েল, আশেপাশের দেশ এবং আমেরিকার জন্য একটি বিশেষ দিন। ট্রাম্প এই ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব ঘটনা সম্ভব করার জন্য কাতার, মিশর এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

ট্রাম্পের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেন নরেন্দ্র মোদী
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পোস্টের পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সোশাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর পোস্টে লেখেন, “ট্রাম্পের গাজা শান্তিচুক্তি পরিকল্পনাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। এটা [ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী] নেতানিয়াহুর শক্তিশালী নেতৃত্বেরও প্রতিফলন।”

প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সমর্থন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি কেবল বন্দিমুক্তি ও যুদ্ধবিরতিই নয়, দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।