দক্ষিণ কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের হাইপ্রোফাইল আবাসন ‘শান্তিনিকেতন’ (Shantiniketan Building)— যা রাজ্য রাজনীতির অন্যতম পাওয়ার সেন্টার হিসেবে পরিচিত, এবার সেখানেই পৌঁছাল কলকাতা পুরসভার নোটিস। শুধু এই বহুতলই নয়, এর পাশাপাশি কলকাতার বুকে থাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও ১৬টি বিলাসবহুল সম্পত্তি ও জমিতে একযোগে নোটিস ঝুলিয়েছে পুরসভার অ্যাসেসমেন্ট বিভাগ।
পুরসভা সূত্রে খবর, এই ১৭টি সম্পত্তির ট্যাক্স বা করের মূল্যায়ন, মিউটেশনের নথি এবং অনুমোদিত প্ল্যান নিয়ে বড়সড় গরমিল ধরা পড়েছে। বছরের পর বছর ধরে এই সম্পত্তিগুলির আইনি কাগজপত্রে কী ধোঁয়াশা ছিল, তা জানতেই এই কড়া পদক্ষেপ। এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি আদৌ নিয়মনীতি মেনে কেনা হয়েছিল কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে— তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবির প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।
এই সম্পত্তি বিতর্কের আসল সত্য উদ্ঘাটন করতে আগামী দিনে একটি হাইভোল্টেজ শুনানির ডাক দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। যেখানে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কলকাতা পুরসভা তৃণমূলের দখলে থাকা সত্ত্বেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির ওপর এই স্ক্যানার বসানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিরোধীদের দাবি, “তদন্তের ভয়েই হোক বা আইনি চাপে, সত্য এবার সামনে আসবেই।” এখন দেখার, পুরসভার এই মারাত্মক নোটিসের জবাবে ‘শান্তিনিকেতন’ ভবনের তরফ থেকে কী আইনি নথি পেশ করা হয় এবং এই ১৭টি সম্পত্তির বৈধতা প্রমাণিত হয় কি না।





