শহরের উষ্ণতম গসিপ: শাহরুখ-রানির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতেন অজয় ও সইফ? কোন মায়াবী কারণে ফিরিয়েছিলেন করণ জোহরের কल्ट হিট?

এমন কিছু সিনেমা থাকে যা আমরা দেখি, উপভোগ করি এবং এক সময় ভুলে যাই। আবার এমন কিছু সিনেমাও রয়েছে, যা তুষের আগুনের মতো ধিকিধিকি জ্বলতে থাকে এবং যুগের পর যুগ ধরে আমাদের ভাবাতে বাধ্য করে। করণ জোহরের উচ্চাকাঙ্ক্ষী, জটিল এবং সেই সময়ের বিচারে অত্যন্ত বিতর্কিত ছবি ‘কভি আলবিদা না কহেনা’ ঠিক তেমনই একটি নাম।

১১ আগস্ট, ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটির বয়স আজ পাকাপাকিভাবে ২০ বছর ছুঁয়ে ফেলল! ভাবতেও অবাক লাগে, কীভাবে কেটে গেল দুটি দশক! আজও মনে হয় এই তো সেদিনের কথা—যখন আমরা গুনগুন করে গাইতাম ‘মিতওয়া’, নিউ ইয়র্কের জাঁকজমকপূর্ণ সৌন্দর্যে মজে থাকতাম, দেব ও মায়ার জটিল প্রেম নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়তাম, আর ভাবতাম—ঋষি ও রিয়া কি আরও একটু বেশি সহানুভূতি পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না?

তবে এই ছবির কাস্টিং নিয়ে বলিপাড়ায় বহু জল্পনা শোনা যায়। বক্স অফিসে ইতিহাস গড়া এই কাল্ট ক্লাসিকটিতে মূল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচালক করণ জহরের প্রথম পছন্দ ছিলেন না অভিষেক বচ্চন বা অন্য কেউ। প্রাথমিকভাবে এই ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল অজয় দেবগণ এবং সইফ আলি খানের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে করণ জোহরের সেই লোভনীয় প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন এই দুই শীর্ষ তারকা।

চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই সময়ে বিশল ভরদ্বাজের বিখ্যাত ছবি ‘ওমকারা’ (২০০৬)-র শুটিং ও অন্যান্য পূর্বনির্ধারিত কাজের ব্যস্ততার জন্যই করণ জোহরের এই মেগা প্রজেক্ট থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন অজয় ও সইফ। আর তাদের এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার ফলেই ভাগ্য খুলে যায় অভিষেক বচ্চনের, যিনি পরবর্তীতে ‘ঋষি তালওয়ার’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেন। দুই দশকের আলোড়ন ফেলে দেওয়া এই ছবির নেপথ্য কাহিনী আজও বলিউডের অন্যতম চর্চিত বিষয়।

Pratik Saha
  • Pratik Saha