“লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৩০০০ টাকা!”-ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে বড় বাজি ধরলেন হুমায়ুন কবীর

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে হুঙ্কার ছাড়লেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা বাবরি মসজিদের পৃষ্ঠপোষক হুমায়ুন কবীর। আজতক বাংলাকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় ধস নামতে চলেছে।

মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক ও নতুন স্ট্র্যাটেজি: হুমায়ুন কবীরের দাবি, বাংলার মুসলিম সমাজ এখন জনতা উন্নয়ন পার্টির ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছে। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, “যদি বুথের ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিকমতো থাকে, তবে ১০০ জন মুসলিমের মধ্যে ৮০ জনই সরাসরি আমাদের প্রার্থীদের ভোট দেবেন।” শুধু সংখ্যালঘু ভোটই নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অন্তত ১০ শতাংশ হিন্দু ভোটারও তাঁর দলের পাশে দাঁড়াবে বলে তিনি আশাবাদী। বিশেষ করে যাঁদের চাকরি চলে গেছে, তাঁরাও যে তাঁর আন্দোলনের সঙ্গী হবেন, সেই বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

তৃণমূলকে তোপ ও জোট প্রসঙ্গ: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২৫০ আসন পাওয়ার দাবিকে কার্যত নস্যাৎ করে দিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, “তৃণমূলকে দিবাস্বপ্ন দেখতে মানা করুন। ওরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করলেও ১০০ পার করতে পারবে না। আগে ১০০ আসন পাক, তারপর ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখুক।” প্রসঙ্গত, ফুরফুরা শরীফে তাঁর সফরের উদ্দেশ্য নিয়েও বিশেষ ইঙ্গিত দিয়েছেন এই নেতা।

ক্ষমতায় এলে বড় উপহারের প্রতিশ্রুতি: শাসক দলের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর পাল্টা বড় ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি জানান, তাঁর দল ক্ষমতায় এলে বাংলার সব ধর্মের মহিলাদের মাসে ৩,০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়াও গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে বাড়ি তৈরির জন্য সরাসরি ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy