রাত পোহালেই বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তার ঠিক আগের দিন একেবারে খোশমেজাজে ধরা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র নন্দীগ্রামের নয়নানে শীতলা মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করেন তিনি। সেখান থেকেই ভোটারদের উদ্দেশে এক বিশেষ আহ্বান জানান গেরুয়া শিবিরের এই দাপুটে নেতা।
‘আগে ভোট, পরে জলপান’ ভোটের সকালে আলসেমি না করে দ্রুত বুথে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “জনগণের কাছে একটাই প্রার্থনা করব— আগে ভোট দেবেন, তারপর জল পান করবেন। আমরা তো গাঁয়ের লোক, তাই সকালে জলখাবার খাওয়ার আগেই ভোটটা দিয়ে দেওয়া দরকার।” গণতন্ত্রের এই উৎসবে নির্ভয়ে সকলকে শামিল হওয়ার ডাক দেন তিনি।
শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রার্থনা নয়নান মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু জানান, তিনি সবার মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করেছেন। তাঁর কথায়, “মায়ের কাছে কী চেয়েছি তা আপনাদের বলব না, তবে সবার ভাল প্রার্থনা করেছি। কোথাও যেন রক্তপাত না হয়, বাইক বাহিনীর দাপাদাপি বা বোমা-গুলির শব্দ যেন শুনতে না হয়— এটাই কাম্য।” তবে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে আস্থা রাখলেও বিরোধীদের একাংশকে বিঁধতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, “কমিশন ভাল ব্যবস্থা নিয়েছে ঠিকই, তবে দুরাত্মার ছলের অভাব নেই।”
নিরাপত্তায় কড়া নজর প্রথম দফার ভোটে অশান্তি রুখতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে কমিশন। সেই প্রেক্ষাপটে শুভেন্দুর এই শান্তিকামী বার্তা এবং ভোটারদের বুথমুখী করার কৌশল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। প্রচার বন্ধ থাকায় এদিন মূলত জনসংযোগ এবং আধ্যাত্মিক আবহেই নিজেকে ডুবিয়ে রাখলেন নন্দীগ্রামের ‘ভূমিপুত্র’।
উল্লেখ্য, আগামীকাল ভোরেই লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে





