রাত জেগে পুজো দেখা আরও সহজ! হাওড়া-বর্ধমান রুটে স্পেশাল EMU ট্রেন, কবে থেকে শুরু হচ্ছে পরিষেবা?

জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে হুগলি জেলা জুড়ে এখন সাজো সাজো রব। চন্দননগর থেকে শুরু করে বৈঁচি পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় দর্শনার্থীদের বিপুল ভিড় জমে। সেই কথা মাথায় রেখে এবার হাওড়া-বর্ধমান ও হাওড়া-কাটোয়া রুটে বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে পূর্ব রেল।চন্দননগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে বাড়তে থাকা যাত্রী চাপ মোকাবিলার জন্য এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেলের হাওড়া বিভাগ। আগামী ২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে ২ নভেম্বর রবিবার পর্যন্ত একাধিক বিশেষ ইএমইউ (EMU) ট্রেন চালানো হবে।স্পেশাল ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচিপূর্ব রেলের হাওড়া বিভাগ জানিয়েছে, এই ক’দিন হাওড়া–ব্যান্ডেল রুটে পাঁচ জোড়া এবং হাওড়া–বর্ধমান রুটে এক জোড়া বিশেষ ইএমইউ ট্রেন চলবে। এই রুটের প্রতিটি ট্রেনই সব স্টেশনে থামবে।হাওড়া–বর্ধমান/ব্যান্ডেল স্পেশাল ট্রেনের সময়:ট্রেনছাড়ার স্টেশনছাড়ার সময়রুটের বিবরণআপ স্পেশালহাওড়াবিকেল ৫:২০ মিনিটব্যান্ডেল হয়ে বর্ধমান/অন্যান্য গন্তব্যের দিকেআপ স্পেশালহাওড়াসন্ধ্যা ৭:৫৫ মিনিটব্যান্ডেল হয়ে বর্ধমান/অন্যান্য গন্তব্যের দিকেআপ স্পেশালহাওড়ারাত ৮:৩৫ মিনিটব্যান্ডেল হয়ে বর্ধমান/অন্যান্য গন্তব্যের দিকেআপ স্পেশালহাওড়ারাত ১১:৩০ মিনিটব্যান্ডেল হয়ে বর্ধমান/অন্যান্য গন্তব্যের দিকেআপ স্পেশালহাওড়ারাত ১২:৩০ মিনিটব্যান্ডেল হয়ে বর্ধমান/অন্যান্য গন্তব্যের দিকেডাউন স্পেশাল ট্রেনের সময় (ব্যান্ডেল থেকে হাওড়া):সন্ধ্যা ৬:৩৫ মিনিট, রাত ৯:২০ মিনিট, রাত ৯:৫৫ মিনিট, রাত ১টা এবং রাত ২টোয়।একটি বিশেষ হাওড়া–বর্ধমান (ব্যান্ডেল হয়ে) ইএমইউ ট্রেন প্রতিদিন রাত ১টা ১৫ মিনিটে ছাড়বে এবং বর্ধমান–হাওড়া ট্রেনটি ছাড়বে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।নিরঞ্জন ও অন্যান্য বিশেষ পরিষেবা২ নভেম্বর (প্রতিমা নিরঞ্জনের দিন): অতিরিক্ত একটি হাওড়া–ব্যান্ডেল–হাওড়া ট্রেন চালানো হবে। এটি হাওড়া থেকে ছাড়বে রাত ২টো ৩৫ মিনিটে এবং ব্যান্ডেল থেকে ফিরবে সকাল ৮টায়।ট্রেন বর্ধিতকরণ: ৩৬০৮৭ হাওড়া–মসাগ্রাম লোকাল ট্রেন ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধমান পর্যন্ত বাড়ানো হবে। একই সময়ে একটি বর্ধমান–হাওড়া বিশেষ ট্রেনও চলবে।৩৬০৮৮ মসাগ্রাম–হাওড়া লোকাল পরিষেবা এই সময়ে বাতিল থাকবে।এছাড়াও, কিছু প্যাসেঞ্জার ও লোকাল ট্রেনের ক্ষেত্রে ব্যান্ডেল–হাওড়া এবং হুগলি–লিলুয়া রুটের সব প্রধান স্টেশনে অতিরিক্ত সময় থামার ব্যবস্থা করা হয়েছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত ইটিভি ভারতকে জানিয়েছেন, “প্রতি বছর চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় বিপুল জনসমাগম হয়। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলের তরফে অতিরিক্ত ট্রেন এবং নজরদারির বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”