২০২৬ সালের দোল পূর্ণিমা এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে। রঙের উৎসবের দিনেই বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ঘটতে যাচ্ছে, যা ভারতে দৃশ্যমান হবে। জ্যোতিষীদের মতে, দোল পূর্ণিমা এবং চন্দ্রগ্রহণের এই সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব সরাসরি পড়তে চলেছে বারোটি রাশির ওপর। উৎসবের আনন্দের মাঝে গ্রহণের এই ছায়া নিয়ে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও নানা প্রশ্ন।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের সময় এক ধরনের নেতিবাচক শক্তির প্রভাব থাকে, যাকে ‘সূতক কাল’ বলা হয়। গ্রহণের সময় দেবালয়ের দরজা বন্ধ রাখা এবং শুভ কাজ না করার রীতি থাকলেও দোল উৎসব পালনে কোনো বাধা থাকবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জ্যোতিষীরা জানাচ্ছেন, গ্রহণ চলাকালীন আবির খেলা বা ভোজন করার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং নির্দিষ্ট রাশির জাতকদের জন্য এই গ্রহণ কিছুটা সংবেদনশীল হতে পারে।
বছরের প্রথম এই চন্দ্রগ্রহণ ধনু এবং কন্যা রাশির জাতকদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দোল পূর্ণিমার তিথি অনুযায়ী, রঙের উৎসব পালনের শুভ সময় এবং গ্রহণের প্রহর যেন সংঘর্ষে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পূর্ণিমার ব্রত পালনকারী ও সাধারণ মানুষের জন্য গ্রহণ শেষের পর স্নান ও দান-ধ্যান করা অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য হবে। আপনার রাশির ওপর এই গ্রহণের সঠিক প্রভাব জানতে নির্ঘণ্টটি ভালো করে দেখে নেওয়া জরুরি।