রক্ষকই ভক্ষক! স্বামীকে ছাড়াতে আসা মহিলার কাছে ২৫ লাখ টাকা ও কুপ্রস্তাব পুলিশ ইন্সপেক্টরের

কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোর থেকে এক হাড়হিম করা শ্লীলতাহানি ও তোলাবাজির অভিযোগ সামনে এসেছে, যা খোদ পুলিশ প্রশাসনের নৈতিকতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। দক্ষিণ কন্নড় জেলার মুদাবিদ্রি থানার ইন্সপেক্টর সন্দেশ পি.জি.-র বিরুদ্ধে এক মহিলা গুরুতর যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগকারিণীর দাবি, মিথ্যা মামলায় ধৃত স্বামীকে ছাড়াতে গেলে ওই পুলিশ আধিকারিক তাঁর কাছে প্রথমে ২৫ লক্ষ টাকা এবং পরে শারীরিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেন।

মহিলার অভিযোগ আরও ভয়ানক; ইন্সপেক্টর সন্দেশ নাকি দম্ভভরে জানিয়েছেন যে, তিনি ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে এই পোস্টিং পেয়েছেন, তাই সেই টাকা তাঁকে যেভাবেই হোক তুলতে হবে। কথা না শুনলে মহিলার স্বামীকে ‘দাগি অপরাধী’ সাজানো এবং মাদক কারবারিদের দিয়ে তাঁর মান-সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। ওই আধিকারিকের দাবি, এর আগেও অনেক মহিলা তাঁর সাথে এভাবেই ‘সহযোগিতা’ করেছেন।

এই ঘটনায় কর্ণাটক রাজ্য মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। আক্রান্ত মহিলা দমে না গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ ডিরেক্টর জেনারেলের কাছে ২৫০টি অডিও-ভিডিও ক্লিপ সম্বলিত একটি সিডি জমা দিয়েছেন। তদন্তে জানা গেছে, ওই একই আধিকারিকের লালসার শিকার হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন মহিলা। রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে কর্ণাটকে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy