“পুলিশি সমন এড়াতে মরিয়া? লালবাজারের নোটিসের মুখে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা!”

রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দপ্তরের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় এবার নয়া মোড়। পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো নোটিসের জবাবে হাজিরা এড়াতে বাড়তি সময় চাইলেন অভিযুক্ত দুই কাউন্সিলর এবং এক প্রভাবশালী শিক্ষক নেতা। গত সপ্তাহে কমিশনের দপ্তরের সামনে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগে তাঁদের তলব করা হয়েছিল।

কেন এই নোটিস? উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিসক্রিয়তার অভিযোগে কলকাতার সিইও দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সেই মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর এবং এক পরিচিত শিক্ষক নেতাকে। ১৪৪ ধারা অমান্য করে সরকারি দপ্তরের প্রবেশপথে বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে স্থানীয় থানার পক্ষ থেকে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠানো হয়।

হাজিরা এড়াতে সময়ের আবেদন পুলিশি সূত্রের খবর, নির্ধারিত সময়ে হাজিরা না দিয়ে অভিযুক্তরা পাল্টা চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তাঁরা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততা এবং ব্যক্তিগত কারণে তাঁরা পুলিশের সামনে উপস্থিত হতে পারছেন না। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য অন্তত কয়েক দিন সময় চেয়েছেন তাঁরা।

তপ্ত নির্বাচনী আবহ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে পুলিশ যখন আইনি প্রক্রিয়ায় অনড়, অন্যদিকে তৃণমূল শিবিরের দাবি— আন্দোলন দমাতেই পুলিশকে দিয়ে এই নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তকারীরা অবশ্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, আইন মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এখন দেখার, পুলিশ তাঁদের এই সময়ের আবেদন গ্রাহ্য করে কি না, নাকি কড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়।