ভোটের ময়দানে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব। সকাল থেকেই একাধিক বুথে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (ISF) এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই আর ঘরে বসে থাকেননি ISF প্রার্থী। সরাসরি রণংদেহী মেজাজে বুথে বুথে পৌঁছে গেলেন তিনি। এজেন্টদের হাত ধরে টেনে হিঁচড়ে ভেতরে ঢোকানোর পাশাপাশি কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লাকে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার অন্তর্গত একাধিক ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ISF-এর অভিযোগ, তাদের পোলিং এজেন্টরা যখন বুথে পৌঁছান, তখন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বেশ কয়েকজন এজেন্টকে মারধর করারও অভিযোগ ওঠে। খবরটি কানে পৌঁছানো মাত্রই এলাকায় পৌঁছান আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম (নামের সাদৃশ্যযুক্ত)।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেজাজ হারান প্রার্থী। তিনি সরাসরি বুথের ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেন এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গেও তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এরপর নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে এজেন্টদের বুথের ভেতরে নির্দিষ্ট আসনে বসিয়ে দেন।
বুথ থেকে বেরিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন আরাবুল। তিনি সরাসরি শওকত মোল্লার নাম টেনে বলেন, “ভোটের নামে প্রহসন চলছে। শওকত বাহিনী ভেবেছে ভয় দেখিয়ে মাঠ খালি করে দেবে, কিন্তু তারা ভুলে গেছে এটা ২০২৬ সাল। মানুষের প্রতিরোধের মুখে তাদের পিছু হটতে হবেই।” এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ হাতাহাতি ও বচসা চলে। বর্তমানে পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী। তবে এখনও এলাকা থমথমে।





