‘যৌনাঙ্গে ২৩টি পিন ফোটানো হয়েছে’, নৃশংস নির্যাতনের শিকার দুই যুবক, গ্রেফতার কেরলের এক দম্পতি!

কেরলের কোইপুরমে এক দম্পতির বিরুদ্ধে দুই যুবককে বাড়িতে ডেকে এনে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ওই দম্পতি, জয়েশ এবং তার স্ত্রী রেশমি, দুই যুবকের গোপনাঙ্গ-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিন ফুটিয়েছেন, লোহার রড ও সাইকেলের চেন দিয়ে বেধড়ক মেরেছেন। পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে।

নির্যাতনের ভয়াবহ বিবরণ
কোইপুরম থানায় দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, দম্পতি তাদের প্রথম শিকার, ১৯ বছর বয়সী এক যুবককে বেঁধে রেখে ছুরি দিয়ে ভয় দেখান। তার দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়, যৌনাঙ্গে পিপার-স্প্রে করা হয় এবং মানিব্যাগ থেকে ১৯,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর তাকে মাঝরাস্তায় ফেলে দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়, যেন কাউকে কিছু না বলে।

দ্বিতীয় যুবক, যিনি আগে জয়েশের সঙ্গে কাজ করতেন, তার অভিযোগ আরও ভয়াবহ। তাকে লোহার রড দিয়ে মারধর করার পর তার যৌনাঙ্গ-সহ শরীরের ২৩টি জায়গায় পিন ফুটিয়ে দেওয়া হয়। রেশমি নিজেই এই কাজ করেন এবং জয়েশ সেই মুহূর্তের ভিডিও করেন। পরে তাকেও টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নির্জন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এক যুবক তাদের ওপর ‘কালা জাদুর’ চেষ্টার অভিযোগ করেছেন। যদিও পুলিশ এই বিষয়ে আরও তদন্ত করছে।

তেলেঙ্গানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ
অন্যদিকে, তেলেঙ্গানার নাকরেকাল এলাকার একটি জেলা পরিষদ হাইস্কুলে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী তার ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছে। ছাত্রীর অভিযোগ, গত তিন মাস ধরে ওই শিক্ষক তাকে যৌন হেনস্থা করে আসছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে পুরো ঘটনাটি জানালে পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয় এবং শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করেছে। এই ঘটনার পর আরও কয়েকজন ছাত্রী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছে, যা নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা বিক্ষোভ করছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।