“যুদ্ধ নয়, সমাধান গণতন্ত্রে!”-ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মাঝে বিশ্বকে শান্তিবার্তা মোদীর!

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউক্রেন—বিশ্বজুড়ে যখন যুদ্ধের ডামাডোল, ঠিক তখনই ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর মোদী সাফ জানালেন, “যুদ্ধ নয়, গণতন্ত্রই সব সমস্যার একমাত্র সমাধান।” ট্রাম্পের ট্যারিফ হুমকি এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে বর্ণনা করলেন তিনি।

শান্তির সপক্ষে ভারতের ‘মাস্টারস্ট্রোক’ এদিন হায়দ্রাবাদ হাউসে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার পর যৌথ বিবৃতিতে মোদী বলেন, “বিশ্ব আজ এক চরম অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেন থেকে পশ্চিম এশিয়া—সর্বত্র সংঘাত। এই পরিস্থিতিতে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির নতুন জ্বালানি জোগাচ্ছে।” উল্লেখ্য, ২০২৬-এর জানুয়ারিতেই ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা দুই দেশের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে নয়া দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

মোদী ইজরায়েল ছাড়তেই তেহরানে হামলা? রহস্য ফাঁস! নরেন্দ্র মোদীর ইজরায়েল সফরের পরেই ইরানে হামলা চালিয়েছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। এই নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এদিন ভারতের ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার বড় দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “মোদীর সফরের পরেই তেহরানে অভিযান হবে, তা আগে থেকে জানা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েল ছাড়ার পরই আমাদের সামনে আদর্শ সুযোগ আসে। ২৮ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা এই অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিল।”

দ্বিপাক্ষিক স্তরে নয়া উচ্চতা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট স্টাব এখন ভারতে। এদিন বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। রাজকীয় ‘গার্ড অফ অনার’ পাওয়ার পর মোদীর সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেন তিনি। ডিজিটাল প্রযুক্তি থেকে শুরু করে সাসটেইনেবিলিটি—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফিনল্যান্ড এখন ভারতের অন্যতম প্রধান অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর মূল বক্তব্য:

  • গণতন্ত্রের শক্তি: ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সমাধান একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।

  • স্থিতিশীলতা: অনিশ্চিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে ভারত ও ইউরোপের সংযোগ এক শক্তিশালী স্তম্ভ।

  • মুক্ত বাণিজ্য: ভারত-ইইউ চুক্তি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গতি আনবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy