যন্তর মন্তরে ধুন্ধুমার! মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, বৃন্দা কারাট, ও ধ্রুব রাঠিকে আটক করল পুলিশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকায় এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র যন্তর মন্তর অভিযানকে কেন্দ্র করে চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠল জাতীয় রাজধানী। আন্দোলন দমাতে প্রশাসনের তরফ থেকে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির পাশাপাশি এবার বাম নেত্রী বৃন্দা কারাট এবং কেরলের প্রাক্তন মন্ত্রী কেকে শৈলজাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
সিজেপির এই কর্মসূচিকে ঘিরে এদিন রাজধানীর জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকার যান চলাচল, রেল এবং মেট্রো পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিক্ষোভের জেরে বিভিন্ন বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রভাবিত হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নয়াদিল্লির সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে আজ অর্থাৎ ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত জনপথ-কর্তব্যপথ সংযোগস্থলের প্রায় চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। টেলিকম সংস্থাগুলিকে কঠোরভাবে এই নির্দেশিকা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
যন্তর মন্তরের অভিমুখে আন্দোলনকারীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে। একের পর এক হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও আন্দোলনকারীদের আটকের ফলে এই মুহূর্তে রাজধানীর রাজনৈতিক পারদ চরমে পৌঁছেছে। মহালয়ার ঠিক আগে দিল্লির এই নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এখন গোটা দেশের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।