বৈশাখী দুপুরে হঠাৎই বদলে যাবে আকাশ। রোদের তেজকে গ্রাস করে নেবে কালো মেঘের ঘনঘটা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে হু হু করে শক্তিশালী জলীয় বাষ্প প্রবেশ এবং সেই সঙ্গে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে আগামী কয়েকদিন বাংলাজুড়ে তাণ্ডব চালাতে পারে কালবৈশাখী। কোথাও ৫০ থেকে ৬০ কিমি গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।
আজকের আবহাওয়া: বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝড়ের হাই-অ্যালার্ট
১ মে, শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় কালবৈশাখীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট কমবে না; বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পং সহ উত্তরের সব জেলাতেই দুর্যোগের মেঘ ঘনাচ্ছে।
শনি ও রবিবার কেমন থাকবে পরিস্থিতি?
২ মে, শনিবার বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহ বীরভূম ও নদীয়াতে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে ৩ মে, রবিবার থেকে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হবে। ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও মেদিনীপুর বেল্টে কালবৈশাখীর দাপট বেড়ে ৫০-৬০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
৪ মে: চূড়ান্ত দুর্যোগের পূর্বাভাস
সোমবার অর্থাৎ ৪ মে রাজ্যজুড়েই কালবৈশাখীর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ৬০ কিমি গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ঝড়ের সময় গাছ ভেঙে পড়া বা বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রশাসনের সতর্কবার্তা:
বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে বা জলাশয়ের ধারে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের ফসলের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়ের সময় নিরাপদ পাকা ছাদের তলায় থাকাই শ্রেয়।





