২০২৬ সাল শুরু হয়েছে বেশ কয়েকদিন। এখনও পর্যন্ত নোভাক জকোভিচকে টেনিস কোর্টে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দেখা যায়নি। কিন্তু তাতে কী! ইতিহাস যাঁর সঙ্গী, রেকর্ড তাঁর পিছু ছাড়বে না। চলতি বছরে অ্যাডিলেড ইন্টারন্যাশনাল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিলেও, মঙ্গলবার এটিপি (ATP) ক্রমতালিকায় এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেললেন ২৪টি গ্র্যান্ডস্লামের মালিক।
জকোভিচের ১০০০ সপ্তাহের ম্যাজিক: ২০০৬ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ফরাসি ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর প্রথমবার এটিপি র্যাঙ্কিংয়ের সেরা ৪০-এ ঢুকেছিলেন জকোভিচ। সেই যে শুরু, গত ১৯ বছরে একবারের জন্যও তালিকার ৪০-এর বাইরে যাননি তিনি। আজ অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬-এ টানা ১০০০ সপ্তাহ বিশ্বের সেরা ৪০ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে থাকার অবিশ্বাস্য নজির গড়লেন ৩৯ বছর বয়সি এই সার্বিয়ান তারকা। বর্তমানে জকোভিচ রয়েছেন বিশ্বের ৪ নম্বর স্থানে। আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ১১তম খেতাব জেতাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
বিগ ব্যাশে পাকিস্তানের চরম লজ্জা: টেনিস কোর্টে যখন জকোভিচ ইতিহাস লিখছেন, তখন ক্রিকেট মাঠে নজিরবিহীন অপমানের শিকার হতে হলো পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ রিজওয়ানকে। বিগ ব্যাশ লিগে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে খেলছিলেন তিনি। সিডনি থান্ডারের বিরুদ্ধে ম্যাচে রিজওয়ান এতটাই মন্থর গতিতে ব্যাটিং করছিলেন যে দলের রান রেট পড়ে যায়।
২৩ বলে মাত্র ২৬ রান করার পর দেখা যায় রিজওয়ান কিছুতেই টাইমিং করতে পারছেন না। দলের ক্ষতি হচ্ছে দেখে ১৮তম ওভারের শেষে অধিনায়ক উইল সাদারল্যান্ড তাঁকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ ঘোষণা করে মাঠের বাইরে ডেকে নেন। বিগ ব্যাশ লিগের ইতিহাসে প্রথম বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে এভাবে মাঠ ছাড়তে হলো রিজওয়ানকে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচে সিডনি থান্ডার ৪ উইকেটে জয়লাভ করে এবং রিজওয়ানের দল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়।





